জরুরী অবস্থায় শান্ত থাকুন

নিরাপত্তা সচেতনতা শিশুদের আত্মবিশ্বাসী এবং প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। অপরিচিত বা অসুরক্ষিত পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তা জানা ক্ষতি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটলে শান্ত থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ধীরে শ্বাস নেওয়া এবং পরিষ্কারভাবে চিন্তা করা মানুষকে নিরাপদ পছন্দ করতে সাহায্য করে।

বিশ্বাসযোগ্য প্রাপ্তবয়স্ক এবং সহায়করা গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের জানা উচিত কার কাছে যেতে হবে এবং কিভাবে সাহায্য চাইতে হবে যখন তারা অনিশ্চিত বা অসুরক্ষিত বোধ করে।

সহজ নিরাপত্তা পরিকল্পনা সবাইকে রক্ষা করে। কোথায় যেতে হবে, কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং কী এড়াতে হবে তা জানা জরুরী অবস্থায় বিভ্রান্তি কমায়।

নিরাপদে সাহায্য করা মানে প্রথমে নিজেকে রক্ষা করা। প্রাপ্তবয়স্কদের সহায়তা নেওয়া এবং বিপজ্জনক কর্ম এড়ানো আরও আঘাত প্রতিরোধ করে।

নিরাপত্তা অভ্যাস অনুশীলন আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। যখন শিশুরা কী করতে হবে তা অনুশীলন করে, তারা বাস্তব পরিস্থিতিতে আরও শান্তভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

প্রতিটি পরিস্থিতি ভিন্ন। সাবধানে চিন্তা করা এবং নিরাপদ কর্ম বেছে নেওয়া নিজেকে এবং অন্যদের রক্ষা করতে সাহায্য করে।

কুইজ ১

কুইজ ২

কুইজ ৩

কুইজ ৪

কুইজ ৫